নিজস্ব সংবাদদাতা, বাঁকুড়া: ডেনমার্ক থেকে পাঁচ'টি বন্দুক ঢুকেছে পশ্চিমবঙ্গে, তার মধ্যে একটি বন্দুক বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড়ে। এবার হাতি'কে ঘুম পাড়াতে এবার অত্যাধুনিক ট্রানকুলাইজার নিয়ে সার্বিক একটি ট্রেনিং হল বাঁকুড়ার সবচেয়ে হাতিপ্রবন এলাকায়। ঘুম পাড়ানি গুলিকে বলে "ডার্ট", আর যে "নন লিথাল" বন্দুক দিয়ে এই গুলি ছোঁড়া যায় তাকে বলে "ট্রাঙ্কুলাইজার"। এত দিন ডার্ট চেম্বারে ভরে তাক করে মারতে হত, নিশানা লাগাতে পেতে হত বেগ। হাত কাঁপলে নিশানা লাগাতে খুব সমস্যা হয়। তবে ডেনমার্কে নির্মিত এই বন্দুক জে.এম.এসপি ২৫ হালকা, ইজি টু ইউজ, রেঞ্জও বেশি। গ্যাস দ্বারা পরিচালিত এই বন্দুক দিয়ে একদম বুলস্ আই বানিয়ে জঙ্গলের মধ্যে করা হল কর্মশালা।
তাক করলেন কেন্দ্রিয় চক্র,মুখ্য বনপাল পাসক রাজ, বাঁকুড়া উত্তর জেলা বন আধিকারিক শেখ ফরিদ। সাউথ ওয়েস্টার্ন সার্কেল পুরুলিয়া জেলা, সাউথ ইস্টার সার্কেল বীরভূম এবং বর্ধমান জেলা এবং কেন্দ্রীয় চক্র বাঁকুড়া জেলা মিলিত হয়ে হয়ে একটি ওয়ার্কশপ আয়োজিত করা হয় বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় রেঞ্জ অফিসে। উপস্থিত ছিলেন বন দফতরের আধিকারিকেরা। কী ওষুধ, কতটা লাগবে, কোন প্রাণীর জন্য কতটা সঙ্গে ট্রাননকুলাইজ করলে কী কী সমপাঁচ'টীতে পারে, সেসব বিষয়ে আলোকপাত করা হয় বেলিয়াতবড় রেঞ্জে।
এরপর জঙ্গলে করা হয় টার্গেট প্র্যাকটিস। ডেনমার্কের বন্দুক, বাঁকুড়ার হাতি, আর বন দফতরের আধিকারিকেরা মিলে যেন দেখলেন আশার আলো। প্রযুক্তি এবং জঙ্গলের বন্যতা যেন মিশে একাকার বাঁকুড়ায়।